ঘরে নতুন সদস্য এলে আনন্দের সাথে সাথে অনেক প্রশ্নও আসে। আকিকা কবে করব? কয়টা পশু লাগবে? কতজনকে ডাকব? অতিথিরা কী উপহার আনবে? আর আমি নিজে অন্যের বাড়ির আকিকায় গেলে কী দেব? এই লেখায় এই সব প্রশ্নের উত্তর সহজ ভাষায় পাবেন। আকিকার সাধারণ নিয়ম, পরিকল্পনা, খরচের হিসাব, নবজাতকের নিরাপত্তা, আর বাজেট ও সম্পর্ক অনুযায়ী উপহারের আইডিয়া, সবকিছু এক জায়গায়।
এক নজরে উত্তর: আকিকা সাধারণত জন্মের সপ্তম দিনে করা হয়। এই দিনে নাম রাখা, মাথা মুণ্ডন ও পশু জবাই করে আত্মীয়-প্রতিবেশী ও গরিবদের খাওয়ানোর প্রচলন আছে। নিয়মের খুঁটিনাটিতে আলেমদের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে, তাই নিজের নির্ভরযোগ্য আলেমের কাছ থেকে জেনে নিন। উপহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কাজের জিনিস হলো ৩ থেকে ৬ মাস সাইজের সুতির জামা, সোয়াডল, ত্বকের যত্নের পণ্য আর নিউবর্ন কেয়ার কিট। আর নবজাতকের কাছে অতিথিদের ভিড় কমান, কারণ সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
আকিকা কী ও কেন?
আকিকা হলো সন্তান জন্মের শুকরিয়া হিসেবে পশু জবাই করা এবং সেই গোশত আত্মীয়-প্রতিবেশী ও গরিবদের খাওয়ানো। বাংলাদেশের অনেক মুসলিম পরিবার এটাকে সন্তানের জন্মের পরের একটি গুরুত্বপূর্ণ আনন্দের আয়োজন হিসেবে পালন করে।
এর ভেতরে তিনটি সুন্দর দিক আছে। এক, আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা। দুই, সন্তানের জন্য দোয়া ও নতুন শিশুর নামকরণ। তিন, আত্মীয় ও গরিবদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। এই কারণে আয়োজনটা জাঁকজমকের চেয়ে নিয়ত আর আন্তরিকতার ওপর বেশি নির্ভর করে।
আকিকার সাধারণ নিয়ম
নিচের তালিকাটি প্রচলিত ও সাধারণ নিয়মের সংক্ষিপ্ত রূপ। মাযহাব ও আলেমভেদে কিছু খুঁটিনাটি পার্থক্য আছে। যেমন কেউ আকিকাকে সুন্নত বলেন, কেউ মুস্তাহাব বা অনুমোদিত আমল বলেন। তাই নিজের এলাকার নির্ভরযোগ্য আলেমের কাছ থেকে চূড়ান্ত নিয়ম জেনে নিন।
| বিষয় | সাধারণ আলোচনা | খেয়াল রাখুন |
|---|---|---|
| সময় | জন্মের সপ্তম দিন সবচেয়ে উত্তম বলা হয়। কোনো কারণে না পারলে পরে করার সুযোগ আছে বলে অনেক আলেম মত দেন | মা ও শিশুর শরীরের অবস্থা দেখে দিন ঠিক করুন। জোর করে সপ্তম দিনেই করতে হবে, এমন চাপ নেবেন না |
| পশুর সংখ্যা | অনেক আলেমের মতে ছেলের জন্য দুটি ও মেয়ের জন্য একটি ছাগল বা ভেড়া। সামর্থ্য কম হলে ছেলের জন্য একটিও যথেষ্ট বলে মত আছে | সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে ঋণের বোঝা নেবেন না। এ বিষয়ে আলেমের পরামর্শ নিন |
| পশুর মান | সুস্থ, ত্রুটিমুক্ত ও নির্ধারিত বয়সের পশু। অনেক আলেম কোরবানির পশুর শর্তগুলো এখানেও প্রযোজ্য মনে করেন | কেনার সময় বা সেবাদাতা বেছে নেওয়ার সময় পশুর বয়স ও সুস্থতা যাচাই করুন |
| গোশত বণ্টন | রান্না করে আত্মীয়, প্রতিবেশী ও গরিবদের খাওয়ানো ভালো। অনেকে তিন ভাগে ভাগ করেন: আত্মীয়, গরিব ও নিজের পরিবার | গোশত ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে পরিষ্কার পাত্র ও পর্যাপ্ত ঠান্ডা নিশ্চিত করুন |
| মাথা মুণ্ডন | অনেক আলেম সপ্তম দিনে শিশুর মাথা মুণ্ডন করে চুলের ওজনের সমান রূপার মূল্য দান করার কথা বলেন | নবজাতকের কোমল ত্বকে ব্লেড ব্যবহারে বাড়তি সতর্কতা দরকার (নিচে পড়ুন) |
| নাম রাখা | জন্মের পরে, অনেকে সপ্তম দিনে ভালো অর্থের নাম রাখেন | নাম উচ্চারণে সহজ ও বানানে স্পষ্ট হলে ভবিষ্যতে সুবিধা |
সামর্থ্যের কথা: আকিকার উদ্দেশ্য আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা, বোঝা নয়। আপনার আর্থিক অবস্থা, পরিবারের পরিস্থিতি ও এলাকার আলেমের পরামর্শ মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। ধর্মীয় বিষয়ে সঠিক জানতে আমাদের ইসলামী প্যারেন্টিং গাইড দেখতে পারেন, তবে ফতোয়ার জন্য সরাসরি আলেমের কাছে যান।
নাম রাখা ও জন্মনিবন্ধন
সন্তানের নাম সারাজীবনের পরিচয়। তাই তাড়াহুড়ো না করে ভেবেচিন্তে বেছে নিন। কয়েকটি সহজ নিয়ম মনে রাখলে বাছাই সহজ হয়:
- ভালো অর্থ। নামের অর্থ সুন্দর ও ইতিবাচক হওয়া উচিত। না বুঝে শুধু শুনতে ভালো লাগে বলে নাম রাখবেন না
- নবি ও নেককার মানুষের নাম। সহিহ হাদিসে আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান নামকে আল্লাহর কাছে প্রিয় বলা হয়েছে। নবিদের নামও অনেকে বেছে নেন
- উচ্চারণ ও বানান সহজ হোক। স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট ও ইংরেজি বানানে ভবিষ্যতে ঝামেলা কম হয়
- পুরো নামের মিল। ডাকনাম, ভালো নাম ও পদবির সঙ্গতি দেখে নিন
- আত্মীয়দের সাথে আলোচনা করুন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মা-বাবার
নাম খুঁজতে ব্যবহার করুন আমাদের বেবি নেম ফাইন্ডার।
জন্মনিবন্ধন ভুলবেন না: বাংলাদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিনা ফিতে জন্মনিবন্ধন করা যায়। দেরি করলে ফি ও জটিলতা বাড়ে। সময়সীমা ও কাগজপত্রের তালিকা নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন অফিস থেকে জেনে নিন। নাম ঠিক করার পর বানান ভালো করে মিলিয়ে নিবন্ধন করুন, কারণ পরে বানান বদলানো কঠিন।
ধাপে ধাপে পরিকল্পনা
আকিকার আয়োজন সামলাতে গিয়ে অনেক সময় মা ও শিশুর বিশ্রাম নষ্ট হয়। আগে থেকে গুছিয়ে নিলে সবাই স্বস্তিতে থাকে।
- দিন ও পদ্ধতি ঠিক করুন। আলেমের পরামর্শ নিয়ে দিন, পশুর সংখ্যা ও আয়োজনের ধরন ঠিক করুন।
- বাজেট করুন। পশু, রান্না, আপ্যায়ন ও দানের জন্য আলাদা আলাদা অংশ ধরুন (নিচের টেবিল দেখুন)।
- অতিথির তালিকা ছোট রাখুন। নবজাতকের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ঘনিষ্ঠজনদের আগে ডাকুন। পরে সুযোগমতো আলাদা করে দেখা করার ব্যবস্থা রাখুন।
- পশু ও জবাইয়ের ব্যবস্থা করুন। নির্ভরযোগ্য বিক্রেতা বা সেবাদাতা বেছে নিন। শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে জবাই হচ্ছে কি না নিশ্চিত হোন।
- খাবারের মেনু ও পরিচ্ছন্নতা ঠিক করুন। সহজ ও পরিষ্কার মেনু রাখুন। রান্না ও পরিবেশনে হাত ও পাত্রের পরিচ্ছন্নতা খেয়াল রাখুন।
- বণ্টনের তালিকা বানান। কাকে কতটুকু পাঠাবেন, আগে থেকে লিখে রাখুন।
- শিশুর জন্য আলাদা শান্ত ঘর রাখুন। ভিড় ও শব্দ থেকে দূরে মা ও শিশুর বিশ্রামের জায়গা রাখুন।
বড় আয়োজন, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও কমিউনিটি নিয়ে আরও জানতে দেখুন ফ্যামিলি ইভেন্ট এবং চাঁদমামা কমিউনিটি।
খরচের হিসাব
আকিকার খরচ জায়গা, আয়োজনের আকার ও পশুর বাজারদরের ওপর নির্ভর করে, তাই নির্দিষ্ট অঙ্ক না দিয়ে কোথায় খরচ হয় তার একটা কাঠামো দিচ্ছি। এটা মিলিয়ে নিজের বাজেট বানিয়ে নিন।
| খাত | কী কী ধরবেন | সাশ্রয়ের টিপস |
|---|---|---|
| পশু ও জবাই | পশু কেনা, পরিবহন, জবাই ও কাটাকুটির খরচ | কয়েকজনের কাছে দাম জেনে তুলনা করুন। শেষ মুহূর্তের জন্য ফেলে রাখবেন না |
| রান্না ও আপ্যায়ন | মসলা, চাল, রাঁধুনি, বাসনকোসন, পানি | সহজ মেনু রাখুন। অতিথির সংখ্যা অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করুন, যাতে অপচয় না হয় |
| দান-সদকা | গরিবদের মাঝে গোশত বা খাবার বিতরণ, মাথা মুণ্ডনের সদকা | এটা কাটছাঁট করার জায়গা নয়। আগে থেকে আলাদা করে ধরে রাখুন |
| নবজাতকের পোশাক ও সরঞ্জাম | আয়োজনের দিনের জামা, গ্রুমিং সরঞ্জাম, অতিরিক্ত ডায়াপার ও ওয়াইপস | নতুন সেট না কিনে কাছের কেউ উপহার দিলে সেটাই ব্যবহার করুন |
| আমন্ত্রণ ও আনুষঙ্গিক | ফোন বা বার্তা, বসার ব্যবস্থা, ছোট স্মারক | কার্ডের বদলে ফোন বা মেসেজে দাওয়াত দিলে খরচ ও সময় কমে |
| জরুরি তহবিল | অতিরিক্ত অতিথি, দাম বাড়া বা হঠাৎ প্রয়োজন | মোট বাজেটের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ আলাদা রাখা ভালো |
আকিকার দিনে নবজাতকের যত্ন
আকিকার দিন বাড়িতে অনেক মানুষ আসে। কিন্তু সপ্তম দিনের একটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনো খুব কম। তাই শিশুর নিরাপত্তাকে সবার আগে রাখুন।
অতিথির ভিড়ে সংক্রমণ ঠেকাতে
- শিশুকে ধরার আগে সবাই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিক। দরজার কাছে পানি ও সাবানের ব্যবস্থা রাখুন
- সর্দি, কাশি, জ্বর বা পেটের অসুখ আছে এমন কেউ শিশুর কাছে না আসুক
- শিশুর মুখ ও হাতে চুমু দেওয়া থেকে সবাইকে বিরত থাকতে বলুন। এতে জীবাণু ছড়ায়
- শিশুকে হাতে হাতে ঘোরাবেন না। একজন বা দুজন নির্দিষ্ট কেউ কোলে রাখুক
- ধূপ, আগরবাতি ও রান্নার ধোঁয়া থেকে শিশুকে দূরে রাখুন
- ঘরে বাতাস চলাচল রাখুন, তবে সরাসরি ফ্যানের বাতাস শিশুর গায়ে নয়
- শিশু ঘুমালে তাকে জাগাবেন না। ঘুম, খাওয়া ও আরাম আগে
মাথা মুণ্ডনে সতর্কতা
- অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত কাউকে দিয়ে করান, যিনি ছোট শিশু সামলাতে জানেন
- অবশ্যই নতুন ও পরিষ্কার ব্লেড ব্যবহার করুন। একই ব্লেড অন্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন না
- মাথার নরম জায়গায় (তালু) বেশি চাপ দেবেন না
- শিশুর মাথা স্থির করে ধরার জন্য আরেকজন সাহায্যকারী রাখুন
- কেটে গেলে পরিষ্কার কাপড়ে চেপে ধরুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
- পুরোপুরি কামাতে দ্বিধা থাকলে আলেমের পরামর্শ নিয়ে চুল ছেঁটে দেওয়ার বিকল্পও ভেবে দেখতে পারেন
সপ্তাহের প্রথম দিনগুলোতে কী দেখবেন
| বিষয় | সাধারণত যা স্বাভাবিক | কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন |
|---|---|---|
| খাওয়া | দিনে ৮ থেকে ১২ বার খায় | খেতে না চাইলে বা চোষার শক্তি খুব কম হলে |
| ভেজা ডায়াপার | পাঁচ-ছয় দিন পর সাধারণত দিনে অন্তত ছয়টি | প্রস্রাব খুব কম বা ডায়াপার প্রায় শুকনো থাকলে |
| ত্বক ও চোখ | অনেক শিশুর প্রথম সপ্তাহে হালকা হলুদ ভাব দেখা যায় | হলুদ ভাব বাড়লে, হাত-পায়ে ছড়ালে বা শিশু ঝিমিয়ে থাকলে |
| নাভি | এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে শুকিয়ে খসে পড়ে | লাল হয়ে ফুলে গেলে, পুঁজ বা দুর্গন্ধ হলে |
| তাপমাত্রা | শরীর গরম ও শুকনো, ঘামে ভেজা নয় | ৩৮°C (১০০.৪°F) বা বেশি জ্বর হলে সাথে সাথে |
| শ্বাস | অনিয়মিত তবে সহজ শ্বাস | দ্রুত শ্বাস, বুক ভেতরে ঢোকা বা ঠোঁট নীলচে হলে জরুরি |
মনে রাখবেন: আয়োজনের ব্যস্ততায় শিশুর লক্ষণ উপেক্ষা করবেন না। মনে হলে "কিছু ঠিক নেই", আয়োজন যতই বড় হোক, আগে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিন।
শিশুর ওজন ও বিকাশের হিসাব রাখতে ব্যবহার করুন বেবি গ্রোথ ট্র্যাকার ও মাইলস্টোন ট্র্যাকার। নবজাতকের যত্ন নিয়ে আরও জানতে পড়ুন নবজাতকের যত্ন গাইড।
- বেবি থার্মোমিটার
- নেজাল অ্যাসপিরেটর
- বেবি মনিটর
- বেবি মশারি
- বেবি ওয়াইপস
- নিউবর্ন ডায়াপার
- ডায়াপার র্যাশ ক্রিম
- চেঞ্জিং ম্যাট
- ইউরিন ম্যাট
- হেলথ ও সেফটি
আকিকার দিনের জন্য শিশুর পোশাক ও সরঞ্জাম
দিনটা দীর্ঘ, তাই শিশুর আরামই আগে। জমকালো পোশাকের চেয়ে নরম, ঢিলে সুতির জামা বেছে নিন। সাথে একাধিক সেট রাখুন, কারণ বমি বা ডায়াপার লিক হলে কাপড় বদলাতে হতে পারে।
- ত্বকের সাথে লাগে এমন জামা সুতির ও কাঁটা-লেবেলমুক্ত হোক
- বোতাম, পুঁতি বা সুতার কাজ করা পোশাকে খুলে যাওয়া অংশ গিলে ফেলার ঝুঁকি থাকে, তাই এড়ান
- অতিরিক্ত গরম পোশাক নয়। ঘাড়ে হাত দিয়ে দেখুন ঘেমেছে কি না
- অতিরিক্ত ডায়াপার, ওয়াইপস ও এক সেট জামা হাতের কাছে রাখুন
- নিউবর্ন কেয়ার কিট
- টুপি ও মিটেন
- সুতির সোয়াডল
- মসলিন সোয়াডল
- রিসিভিং ব্ল্যাংকেট
- বিব ও বার্প ক্লথ
- বেবি গ্রুমিং কিট
- চিরুনি ও ব্রাশ
- নেইল ক্লিপার ও কাঁচি
- বেবি বাথ টাওয়েল
- হুডেড তোয়ালে
- মসলিন ওয়াশ ক্লথ
- ডায়াপার ব্যাগ
- বেবি ক্লথ হ্যাঙ্গার
- নার্সারি অর্গানাইজার
- জামা ও জুতা
পুরো প্রস্তুতির তালিকা চাইলে দেখুন আমাদের বেবি শপিং চেকলিস্ট টুল।
অতিথিদের জন্য নির্দেশনা
যাঁরা আকিকায় যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কথা:
- অসুস্থ থাকলে যাবেন না। সামান্য সর্দিও নবজাতকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। পরে আলাদা করে দেখা করুন
- হাত ধুয়ে শিশুর কাছে যান এবং শিশুকে চুমু দেবেন না
- শিশুকে কোলে নেওয়ার আগে অনুমতি নিন। ঘুমন্ত শিশুকে জাগাবেন না
- মায়ের কথা ভাবুন। তিনি ক্লান্ত থাকবেন, তাই অকারণে বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না
- উপহার হালকা ও কাজের হোক। কী দেবেন তা নিচে বিস্তারিত দেওয়া আছে
- ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন, ফ্ল্যাশ ব্যবহার না করাই ভালো
- সাহায্যের হাত বাড়ান। পাত্র গোছানো বা অতিথি দেখার কাজে হাত লাগালে পরিবার খুশি হয়
উপহারের গাইড: কী দেবেন, কেন দেবেন
নবজাতকের উপহার কেনার সময় সবচেয়ে বড় ভুল হলো শুধু সুন্দর দেখে কেনা। ভালো উপহার হলো সেটাই, যা মা-বাবার সত্যিই কাজে লাগে। তিনটি প্রশ্ন নিজেকে করুন:
- এটা কি নিরাপদ? ছোট অংশ, ধারালো কিনারা বা তীব্র গন্ধ থাকলে নবজাতকের জন্য ঠিক নয়।
- এটা কি দ্রুত বড় হয়ে ছোট হয়ে যাবে? নবজাতক সাইজ খুব কম সময়ই কাজে লাগে। একটু বড় সাইজ ভালো।
- এটা কি মা-বাবার কাজ সহজ করবে? ডায়াপার, ওয়াইপস, সোয়াডল বা বার্প ক্লথের মতো রোজ লাগে এমন জিনিস সবসময় কাজে আসে।
তুলনামূলক বড় ও দামি উপহারের আগে মা-বাবার কাছে জেনে নেওয়াও ভালো। অনেক পরিবার নিজেদের তালিকা তৈরি করে রাখে, যা আপনার সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচাবে।
বাজেট অনুযায়ী উপহার আইডিয়া
দাম পরিবর্তনশীল, তাই নির্দিষ্ট অঙ্ক না দিয়ে তিনটি ধাপে ভাগ করেছি। প্রতিটি ধাপে কী ধরনের জিনিস মানায়, তা দেখে নিন।
ছোট বাজেট: ছোট কিন্তু কাজের
মাঝারি বাজেট: গুছানো সেট
বড় বাজেট: দীর্ঘদিনের কাজের জিনিস
স্মরণীয় ও ভবিষ্যতের উপহার
এক জায়গায় ত্বকের যত্নের ভালো পণ্য খুঁজলে দেখুন Sebamed Baby Extra Soft Cream (৫০ মি.লি.), (২০০ মি.লি.) ও Protective Facial Cream। আরও বিকল্প আছে বেবি স্কিন ক্রিম ও লোশন ও ময়েশ্চারাইজার ক্যাটাগরিতে।
নিজে উপহারের সেট বানালে ঝুড়ি বা সুন্দর বাক্সে ওয়াশ ক্লথ, সোয়াডল, টুপি-মিটেন ও ক্রিম একসাথে সাজিয়ে দিতে পারেন। বিশেষ প্যাকেজিং বা একসাথে অনেক অর্ডারের বিষয়ে জানতে দেখুন হেল্প সেন্টার ও কর্পোরেট অর্ডার পেজ।
সম্পর্ক অনুযায়ী উপহার
| আপনি কে | কী উপহার ভালো | কেন |
|---|---|---|
| দাদা-দাদি, নানা-নানি | নরম ব্ল্যাংকেট, সোয়াডল, ইসলামিক বইয়ের সিরিজ (ভবিষ্যতের জন্য) | কাপড় ও বই দীর্ঘদিন থাকে। বইগুলো আপনারা নিজে নাতি-নাতনিকে পড়ে শোনাতে পারবেন |
| খালা, ফুফু, চাচা, মামা | জামার সেট (৩–৬ মাস সাইজ), গ্রুমিং কিট, খেলনা, বেবি ব্ল্যাংকেট | আদর করে সাজানোর ও খেলার জিনিস, সাথে কাজেরও |
| বন্ধু বা সহকর্মী | নিউবর্ন কেয়ার কিট, ডায়াপার, স্কিনকেয়ার সেট | নতুন মা-বাবার প্রতিদিনের কাজ সহজ করে |
| প্রতিবেশী | মায়ের জন্য ফল, পুষ্টিকর খাবার, ছোট কেয়ার সেট | প্রসবের পর মা রান্নার সময় কম পান, তাই খাবার অনেক বড় উপহার |
| অফিস বা টিম | একসাথে চাঁদা দিয়ে বড় কোনো জিনিস, যেমন বেডিং সেট বা বাথ টাব | একই জিনিস অনেকজন আলাদা আলাদা দিলে অপচয় হয় |
| শিশুর বড় ভাইবোন | তার জন্যও ছোট একটি উপহার, যেমন বই বা রং-পেন্সিল | নতুন সদস্য এলে বড়জন অবহেলিত মনে করতে পারে, তাকে সম্মান জানানো ভালো |
জামার সাইজ গাইড
নবজাতকের জামা কেনার সময় সাইজ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল হয়। নিচের টেবিল ধারণা দেবে।
| সাইজ | কতদিন কাজে লাগে | উপহার হিসেবে কেমন |
|---|---|---|
| নবজাতক (০–৩ মাস) | অনেক শিশু কয়েক সপ্তাহেই বড় হয়ে যায় | অল্প পরিমাণে কিনুন। অনেকে আগেই কিনে রাখেন, তাই বেশি দেওয়ার দরকার নেই |
| ৩–৬ মাস | সবচেয়ে বেশি দিন ও কাজে লাগে | সবচেয়ে ভালো পছন্দ। মা-বাবা নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন |
| ৬–৯ মাস | পরের ঋতুতে কাজে আসে | ঋতুর সাথে মিলিয়ে দিন, যেমন শীতের আগে গরম কাপড় |
- সুতির, নরম ও ঢিলে জামা বেছে নিন
- আঁটসাঁট কলার, শক্ত জিপার বা আলগা সাজসজ্জা এড়ান
- ঋতু ও সাইজ মিলিয়ে নিন। যদি দিতে হয় শীতের জামা, তবে তা শীতের আগে দিন
- জামার সাথে ধোয়ার নিয়ম পড়ে নিন, কারণ বারবার ধুতে হবে
পোশাক ও শীতের জিনিসের জন্য দেখুন জামা ও জুতা, স্লিপিং ব্যাগ ও হুডেড ব্ল্যাংকেট।
কোন উপহার দেবেন না
নিরাপত্তার কারণে: নিচের জিনিসগুলো নবজাতকের উপহার হিসেবে এড়িয়ে চলা ভালো।
- ছোট অংশ থাকা খেলনা। চোখ, বোতাম বা পুঁতি খুলে মুখে গেলে শ্বাসরোধের ঝুঁকি। তিন বছরের নিচের শিশুর খেলনায় ছোট অংশ থাকা উচিত নয়
- গলার চেইন, হাতের বালা ও অলংকার। সোনা-রুপার গহনা দিতে চাইলে সেটা ভবিষ্যতের জন্য তুলে রাখতে বলুন। ঘুমের সময় বা সারাদিন শিশুকে গহনা পরানো ঝুঁকিপূর্ণ
- তীব্র গন্ধযুক্ত পণ্য। সুগন্ধি, তীব্র পাউডার বা ঝাঁজালো লোশন নবজাতকের ত্বক ও শ্বাসের জন্য ঠিক নয়
- শক্ত বা আঁটসাঁট জুতা। নবজাতক হাঁটে না, তাই জুতার দরকার নেই। নরম মোজা যথেষ্ট
- বালিশ, বাম্পার ও নরম খেলনা বিছানার জন্য। প্রথম এক বছর এগুলো ঘুমের জায়গায় নিরাপদ নয়
- অনেকগুলো একই ধরনের জামা। বাচ্চা দ্রুত বড় হয়, কাপড় অব্যবহৃত পড়ে থাকে
- বড় শিশুর জন্য তৈরি পণ্য। প্যাকেটে বয়সের সীমা লেখা থাকে, সেটা দেখে নিন
- দড়ি, ফিতা বা লম্বা সুতা থাকা জিনিস। গলায় পেঁচিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে
নিরাপদ বিছানার জন্য ঘুমের গাইড পড়ুন আমাদের সেফটি বেডিং ক্যাটাগরিতে। আরও ভাবুন চাইল্ড সেফটি নিয়ে।
মায়ের জন্য উপহার ও যত্ন
নবজাতককে নিয়ে সবাই ব্যস্ত, কিন্তু মায়ের শরীর ও মনের যত্নও সমান জরুরি। প্রসবের পরে মা ক্লান্ত থাকেন, ঘুম কম হয়, আর ত্বক ও চুলেও পরিবর্তন আসে। মায়ের জন্য একটা ছোট উপহার তাঁকে বুঝিয়ে দেয় যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রসব-পরবর্তী যত্ন
- প্রসব-পরবর্তী ওয়েলনেস পণ্য
- রিকভারি এসেনশিয়ালস
- পার্সোনাল কেয়ার
- স্ট্রেচ মার্ক কেয়ার
- মম স্কিনকেয়ার
- হাত ও পায়ের যত্ন
- ফেস ও বডি অয়েল
- ব্রেস্টফিডিং অ্যাক্সেসরিজ
- মিল্ক স্টোরেজ ও কুলার ব্যাগ
- ম্যাটার্নিটি পিলো
- নিউট্রিশন ও ওয়েলনেস
- টোট ও শোল্ডার ব্যাগ
- কসমেটিক ব্যাগ
- মম কেয়ার
মায়ের পড়ার জন্য ভালো বইও দারুণ উপহার, যেমন পোস্টপার্টাম বই, মাদারহুড বই, ম্যাটারনাল ওয়েলনেস ও মা ও শিশুর যত্ন। আর বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ভিটামিন বা সাপ্লিমেন্ট দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শমতো দিন। দেখুন মম ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট।
অন্যরকম উপহার: সবসময় জিনিসই দিতে হবে এমন নয়। একদিন রান্না করা খাবার পাঠানো, দুই ঘণ্টা শিশুকে সামলে মাকে ঘুমাতে দেওয়া বা ঘরের কাজে সাহায্য করা, এসবও নতুন মায়ের কাছে খুব বড় উপহার।
ছোট অতিথিদের জন্য
আকিকায় অনেক সময় আত্মীয়দের শিশুরাও আসে। তাদের হাতে ছোট একটা উপহার তুলে দিলে অনুষ্ঠানে আনন্দ বাড়ে, আর সে নিজেকেও বিশেষ মনে করে।
- স্টিকার বই
- কালারিং বই
- অ্যাক্টিভিটি বই
- পাজল বই
- ট্রেসিং বই
- আর্ট ও ক্রাফট সেট
- ড্রয়িং ও কালারিং সামগ্রী
- ইরেজার ও শার্পনার
- ফ্রুট শেপড ইরেজার সেট (৪ পিস)
- পেন্সিল কেস
- ক্লে ও মডেলিং
- পাজল
- বোর্ড গেমস
তবে মনে রাখবেন, ছোট অংশওয়ালা জিনিস নবজাতকের কাছাকাছি রাখা যাবে না। বড় ভাইবোনের খেলনা শিশুর নাগালের বাইরে রাখার কথা বলে দিন।
ইসলামিক উপহার: দোয়া, বই ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি
আকিকার সময় ইসলামিক বই বা জিনিস উপহার দেওয়া অনেকের কাছেই অর্থবহ। শিশু এখন পড়তে পারবে না, কিন্তু মা-বাবা পড়ে শোনাতে পারবেন, আর বইগুলো ভবিষ্যতে সন্তানের কাজে লাগবে।
- মা-বাবার জন্য: সন্তান লালন-পালন, চরিত্র গঠন ও দোয়ার বই
- শিশুর জন্য (পরে): নবিদের গল্প, ছড়া, আখলাক ও আদবের সিরিজ
- পরিবারের জন্য: দোয়া ও আযকারের ছোট সংগ্রহ
- ইসলামিক বুকস
- দোয়া ও আযকার
- কুরআন ও কুরআন শিক্ষা
- ইসলামিক গল্প
- সীরাহ ও নবিদের গল্প
- আখলাক ও আদব
- ইসলামিক প্যারেন্টিং বই
- পজিটিভ প্যারেন্টিং
- ঘুমের গল্প
- ছোটদের মহানবি
- দাদুর গল্পে আখলাক শিখি
- মহাপ্লাবন এবং নুহ (আ.) এর নৌকা
- গুড প্যারেন্টিং
- Little Ummah-এর বই
শিশুকে আখলাক ও আদব শেখানোর সহজ উপায় নিয়ে আমাদের ব্লগে বিস্তারিত পাবেন।
৫টি সাধারণ ভুল, যা এড়িয়ে চলবেন
- বেশি অতিথি ডাকা। নবজাতকের স্বাস্থ্য আগে। ভিড় কমান এবং অসুস্থ কেউ যেন শিশুর কাছে না আসে।
- খরচে সামর্থ্যের বাইরে যাওয়া। জাঁকজমকের চেয়ে নিয়ত ও আন্তরিকতা বড়। ঋণের বোঝা নিয়ে আয়োজন না করাই ভালো।
- নতুন ব্লেডে সাবধানতা না নেওয়া। মাথা মুণ্ডনে পুরোনো বা অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড কখনো নয়।
- উপহারে নিরাপত্তা না দেখা। ছোট অংশ, দড়ি, গহনা ও তীব্র গন্ধ থাকলে ফেরত দিন বা তুলে রাখুন।
- মায়ের বিশ্রাম ভুলে যাওয়া। আয়োজনের সব ভার মায়ের ওপর না চাপিয়ে পরিবারের সবাই ভাগ করে নিন।
সব এক নজরে: কোন প্রয়োজনে কোথায় দেখবেন
- নিউবর্ন ও নার্সারি
- নিউবর্ন এসেনশিয়ালস
- সোয়াডল ও রিসিভিং
- বেবি ব্ল্যাংকেট ও স্লিপ
- বেবি বেডিং
- বেবি গ্রুমিং
- টাওয়েল ও ওয়াশ ক্লথ
- বাথ ও স্কিন
- বেবি ফিডিং
- ডায়াপারিং ও পটি
- হেলথ ও সেফটি
- টয়েজ ও অ্যাক্টিভিটি
- বই
- লার্নিং ও স্টেশনারি
- মম কেয়ার
- বেবি গিয়ার
- হোম ও ট্রাভেল
আরও পড়ুন ও কাজের টুল
- নবজাতকের যত্ন
- ইসলামী প্যারেন্টিং
- গর্ভাবস্থা ও মাতৃত্ব
- ফ্যামিলি ইভেন্ট
- অভিভাবকদের গল্প
- প্যারেন্টিং গাইড
- বেবি নেম ফাইন্ডার
- বেবি শপিং চেকলিস্ট
- গ্রোথ ট্র্যাকার
- মাইলস্টোন ট্র্যাকার
- ডেলিভারি ও শিপিং
- পেমেন্ট পদ্ধতি
- রিটার্ন ও রিফান্ড
- কর্পোরেট অর্ডার
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আকিকা কখন করা উচিত?
সাধারণত জন্মের সপ্তম দিনে করা উত্তম বলা হয়। কোনো কারণে সেদিন না পারলে পরে করার সুযোগ আছে বলে অনেক আলেম মত দেন। মা ও শিশুর শরীরের অবস্থা দেখে এবং আলেমের পরামর্শ নিয়ে দিন ঠিক করুন।
ছেলে ও মেয়ের জন্য কয়টি পশু লাগে?
অনেক আলেমের মতে ছেলের জন্য দুটি ও মেয়ের জন্য একটি ছাগল বা ভেড়া। সামর্থ্য কম হলে ছেলের জন্য একটি দিলেও চলে, এমন মতও আছে। এ বিষয়ে আপনার নির্ভরযোগ্য আলেমের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।
আকিকার গোশত কি নিজেরা খেতে পারব?
অনেক আলেমের মতে পরিবার গোশত খেতে পারে, তবে আত্মীয়, প্রতিবেশী ও গরিবদের মাঝে বণ্টন করা উত্তম। অনেকে তিন ভাগে ভাগ করেন। বিস্তারিত নিয়ম আলেমের কাছ থেকে জেনে নিন।
আকিকার দিন শিশুর মাথা কামানো কি জরুরি?
অনেক আলেম সপ্তম দিনে মাথা মুণ্ডন করার কথা বলেন। কিন্তু নবজাতকের ত্বক খুব কোমল, তাই নতুন ব্লেড ও অভিজ্ঞ লোক ছাড়া এটা করবেন না। দ্বিধা থাকলে আলেম ও চিকিৎসক দুজনের পরামর্শ নিন।
অতিথিরা কি নবজাতককে কোলে নিতে পারবে?
নিতে পারবে, তবে হাত ধুয়ে এবং অসুস্থ না হলে। শিশুকে হাতে হাতে ঘোরানো এড়ান। মুখ ও হাতে চুমু দিতে নিষেধ করুন, কারণ এতে জীবাণু ছড়াতে পারে।
নবজাতকের উপহার হিসেবে কোন সাইজের জামা দেব?
৩ থেকে ৬ মাস সাইজ সবচেয়ে ভালো, কারণ এটা দীর্ঘদিন কাজে লাগে। নবজাতক সাইজ খুব অল্প সময় লাগে এবং অনেকেই আগে থেকে কিনে রাখেন। সুতির ও নরম কাপড় বেছে নিন।
বাজেট কম হলে কী উপহার দেওয়া ভালো?
ছোট কিন্তু রোজ কাজে লাগে এমন জিনিস দিন, যেমন মসলিন ওয়াশ ক্লথ, বার্প ক্লথ, টুপি-মিটেন বা ওয়াইপস। অনেকে একসাথে অনেকগুলো ছোট জিনিস গুছিয়ে সুন্দর সেট বানান। দামের চেয়ে প্রয়োজন ও আন্তরিকতা বড়।
অনলাইনে নবজাতকের উপহার কেনা কি সুবিধাজনক?
হ্যাঁ, বিশেষ করে সময় কম থাকলে। অর্ডারের আগে ডেলিভারির সময়, রিটার্ন নীতি ও পেমেন্ট পদ্ধতি দেখে নিন, যাতে আকিকার দিনের আগেই উপহার পৌঁছে যায়।
নবজাতকের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ উপহার এক জায়গায়
নিউবর্ন কেয়ার কিট দেখুনবি.দ্র.: এই লেখাটি সাধারণ তথ্যের জন্য। আকিকার শরিয়তসম্মত নিয়ম ও খুঁটিনাটি বিষয়ে আপনার এলাকার নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন। নবজাতকের স্বাস্থ্য, জন্ডিস, জ্বর, ত্বক বা খাওয়া নিয়ে কোনো সন্দেহ হলে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যান।